শুক্রবার ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ |
বিশ্লেষণ

মধ্যপ্রাচ্যে কী ঘটছে, কেন ঘটছে?

 বুধবার ১৪ই মার্চ ২০১৮ দুপুর ০২:৩৭:০৮
মধ্যপ্রাচ্যে

গেল বছরে মধ্যপ্রাচ্য একটি উত্তাল সময় পার করেছে। চলতি বছরেও এর রেশ চলছে। সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অঞ্চলটি চরম নৈরাজ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। যার সুযোগ নিচ্ছে সাম্রাজ্যবাদ ও ইহুদিবাদ।

সৌদি সিংহাসনের উত্তরসূরি প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমান ক্রমেই নিজের ক্ষমতা সুসংহত করছেন। এ জন্য তাকে ব্যাপক নির্মমতার আশ্রয় নিতে হয়েছে। রিয়াদে তিনি নজিরবিহীন সাংস্কৃতিক পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক সংস্কার শুরু করেছেন। কিন্তু তার পররাষ্ট্রনীতির উচ্চাকাঙ্ক্ষা এখনও কোনো ফল বয়ে আনতে পারেনি। এর পরও তারা প্রতিবেশী ইয়ামেনে অব্যাহত প্রাণ সংহার করছে। আরব বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র দেশটির সম্পদ ধ্বংস করে যাচ্ছে। একটি রাজনৈতিক সমাধানে না পৌঁছানো পর্যন্ত সৌদি এ হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ অব্যাহত রাখবে বলেই মনে হচ্ছে।

ইয়েমেনের দীর্ঘদিনের লৌহমানব ও সাবেক প্রেসিডেন্ট আলী আব্দুল্লাহ সালেহকে হত্যার পর সেই মীমাংসার সম্ভাবনা সুদূরপরাহত। দেশটির হুতি বিদ্রোহীরা তাকে হত্যা করার পর সংঘাত অবসানের পথ পুরোপুরি গতিহীন হয়ে পড়েছে। হুতিদের সমর্থনের জন্য ইরানকে দায়ী করছে সৌদি আরব।

প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমান এখন পশ্চিমা বিশ্বকে মুগ্ধ করার মিশনে নেমেছেন। গত সপ্তাহে তিনি ব্রিটেন সফর করেছেন। সেখানে তিনি শতকোটি পাউন্ডের সহযোগিতা চুক্তি করেছেন। ব্রিটিশ সরকার যেটিকে নতুন দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব বলে উল্লেখ করেছে। কিন্তু দেশটির বিরোধীদলগুলো ইয়েমেনে সৌদি আরবের ভূমিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই চুক্তিকে জাতীয় অবমাননা আখ্যা দিয়েছে।

এ ছাড়া সৌদি আরব ব্রিটেনের সবচেয়ে বড় অস্ত্র উৎপাদনকারী বিএই সিস্টেমের সঙ্গে ৪৮ টাইফুন যুদ্ধবিমান ক্রয়ের চুক্তি করতে যাচ্ছে। রিয়াদের কাছে ৭২টি একই ধরনের যুদ্ধবিমান রয়েছে। যেগুলো তারা ইয়েমেন ব্যবহার করছে।

ক্যাম্পেইন অ্যাগেইনস্ট আর্মস ট্রেড জানিয়েছে, ইয়েমেনে ২০১৫ সালে সৌদি বিমান হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে তাদের কাছে ৪৬০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির লাইসেন্স দিয়েছে ব্রিটেন। যদিও সৌদি সিংহাসনের উত্তরসূরির যুদ্ধ নিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে বেশ কয়েকবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ইয়েমেনে হামলা চালাতে সৌদির কাছে ব্রিটেন একদিকে অস্ত্র বিক্রি করছে, অন্যদিকে মানবিক সহায়তা বাড়াতেও উৎসাহিত করছে।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, ৮৫ লাখ ইয়েমেনি দুর্ভিক্ষের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সংস্থাটির মানবাধিকার প্রধান যেটিকে মহাদুর্যোগ আখ্যা দেন। দেশটির স্বাস্থ্য খাতে বিপর্যয় নেমে এসেছে। অধিবাসীদের ডিপথেরিয়া ও কলেরার সঙ্গে লড়তে হচ্ছে।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট উপসাগরীয় ছোট্ট দেশ কাতারের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এই অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত দিয়ে তারা যত দ্রুত বিজয় পাওয়ার কথা ভাবছিল, শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারেনি। এটি সৌদি আরবের ভিয়েতনাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

সৌদি আরবের সব উদ্যোগ থেকে ইরান সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করে। তেহরান ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহের সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। যা রিয়াদকে এই যুদ্ধে জড়াতে প্রলুব্ধ করেছে। এখন তাদের ভাণ্ডার থেকে পানির মতো অর্থ খরচ হচ্ছে। আর খেসারত দিতে হচ্ছে বেসামরিক ইয়েমেনিদের। দেশটি এখন একটি নৈরাজ্যপূর্ণ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। ইয়েমেনের সব অঞ্চলে নিজস্ব নেতৃত্ব কাঠামো তৈরি হয়েছে। তাদের সমর্থন দিচ্ছে বাইরের বিভিন্ন দেশ। একেকটি অঞ্চল যেন ছোট ছোট রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।

শিয়া হুতিবিরোধী সুন্নি ইসলামপন্থীদের জোট হচ্ছে ইয়েমেন ন্যাশনাল আর্মি। এ ছাড়া দক্ষিণাঞ্চলীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীরা, উত্তরাঞ্চলীয় উপজাতিসহ অন্যান্য গোষ্ঠী রয়েছে। তাদের সবাই রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িত। যুদ্ধ অর্থনীতি থেকে তারা নিজেদের পকেট গরম করছেন।

ইরানের ভেতরগত দ্বন্দ্ব দেশটির জন্য একটি বড় প্রতিকূলতা। সম্প্রতি সরকারবিরোধী বিক্ষোভে কয়েকশ প্রতিবাদকারী গ্রেফতার হন। নিহত হয়েছেন অন্তত ২১ জন। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও ব্যাপক রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবিতে সপ্তাহব্যাপী ওই বিক্ষোভ দেখানো হয়েছিল।

৩২ বছর বয়সী সৌদি প্রিন্সের আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে। তিনি যখন পশ্চিমাদের সঙ্গে মধুর সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় ব্যস্ত, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ তখন রাশিয়ার দিকে ঝুঁকছে। গত বছর থেকে শুরু হওয়া দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে কয়েক ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ও প্রিন্সকে গ্রেফতার করেছেন তিনি। শারীরিক নির্যাতনের কারণে তাদের মধ্যে ১৭ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। একজন মেজর জেনারেলকে ঘাড় মটকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে পরিষ্কার ব্যাখ্যা নেই।

সৌদি আধুনিকায়নে পশ্চিমা বিশ্বের সায় রয়েছে। আর সেই খরচ আদায় করা হচ্ছে আটক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। তবে যুক্তরাষ্ট্র সফরের আগে বেশ কয়েকজন আটক ব্যক্তিকে তিনি মুক্তি দিতে পারেন।

তাদের মধ্যে একজন হলেন ব্লগার ও অ্যাক্টিভিস্ট রাইফ বাদওয়া। তিনি দেশটির ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন। ২০১২ সালে তাকে আটক করা হয়। ঠিক দুই বছর পর তার ১০ বছর কারাদণ্ড ও এক হাজার বেত্রাঘাতের শাস্তি হয়েছে। বছর তিনেক আগে পাবলিক স্কোয়ারের সামনে ৫০টি বেত্রাঘাত করা হয়েছিল। সৌদি সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আশ্বাস দিয়েছিল, তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে।

কীভাবে সিরীয় যুদ্ধের ইতি ঘটবে, তা নিয়ে প্রিন্স মুহাম্মদের কোনো বক্তব্য নেই। মস্কো ও তেহরানের সমর্থন নিয়ে বাসার আল আসাদ সরকার একটি রাজনৈতিক নিষ্পত্তির দিকে যাচ্ছে। বিদ্রোহী ঘাঁটিতে সরকারি বাহিনীর সামরিক হামলা নতুন করে গতিবেগ পেয়েছে। বিরোধীরাও ছিন্নবিচ্ছিন্ন। বিদ্রোহীরা আল কায়েদার সঙ্গে যূথবদ্ধ হয়েছে। অথবা তুরস্কের সহায়তায় তার নিজের অস্তিত্ব টিকেয়ে রেখেছে। রাজনীতিবিদরা নির্বাসনে কিংবা সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাদের কোনো যোগাযোগ নেই।

সিরীয় গৃহযুদ্ধের লাগাম এখন রাশিয়া, ইরান ও তুরস্কের হাতে। কাজেই যুদ্ধের চূড়ান্ত পরিণতি কী হবে, তারাই সে সিদ্ধান্ত নেবেন। সেক্ষেত্রে আট বছর ধরে চলা সহিংসতা থেমে যাওয়ার কোনো নিশ্চয়তা নেই। বিদ্রোহীরাও দমে যাবেন, সে কথা কেউ বলতে পারছে না। বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক শক্তিগুলো যখন গৃহযুদ্ধপরবর্তী সিরিয়া নিয়ে ভাবছে, তখন দেশটিতে অবকাঠামো প্রকল্পের আড়ালে সুবিধা আদায়ের নতুন লড়াই শুরু হবে।

এতে কুর্দিদের একটি স্বাধীন রাষ্ট্র কিংবা স্বায়ত্তশাসনের আকাঙ্ক্ষার ভাগ্য নির্ধারিত হবে। ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সিরীয় কুর্দিরা যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটের মূল্যবান মিত্র হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু আইএসের বিরুদ্ধে অভিযান প্রায় শেষ হয়ে গেছে। কাজেই অল্প সময়ের মধ্যে সামরিক সহযোগিতাও বন্ধ হয়ে যাবে। কুর্দিরা স্বায়ত্তশাসন চায়, কিন্তু সিরিয়ায় তাদের বিরোধীরা নিজেদের পশ্চিমমুখী বিস্তার উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত ছড়িয়ে দিতে চায়। একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের আকাঙ্ক্ষা থেকেই তারা এমনটি করতে চাচ্ছে।

তুরস্কের সেনাবাহিনী ও ফ্রি সিরিয়ান আর্মি (এফএসএ) আফরিনের কেন্দ্রস্থলে চক্কর দিয়ে বেড়াচ্ছে। তারা পিকেকে সংশ্লিষ্ট গণ সুরক্ষা বাহিনীকে (ওয়াইপিজি)শহরটি থেকে সমূলে উৎপাটন করতে চূড়ান্ত অভিযানে নামবে যে কোনো সময়। বেসামরিক লোকজনকে নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে একটি করিডর খুলেছে। নিজেদের সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তুরস্ক এই অভিযানে নেমেছে।

তুরস্কের সেনাবাহিনীর দাবি, তারা সন্ত্রাসীদের নিপীড়ন ও নৃশংসতা থেকে সিরীয় জনগণকে রক্ষার পাশাপাশি সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করতে অপারেশন অলিভ ব্রাঞ্চ নামে অভিযানে নেমেছে। আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব ও আত্মরক্ষার অধিকার থেকে অভিযান পরিচালনা করছে।

২০১২ সালে আফরিনে আসাদবাহিনী লড়াই বন্ধ করে দিলে সেখানে ওয়াইপিজি/পিকেকে যোদ্ধারা আশ্রয় নিয়েছিল। সাড়ে তিন লাখ মানুষ অধ্যুষিত আফরিনে গেল ২০ জানুয়ারি তুরস্ক অপারেশন অলিভ ব্রাঞ্চ শুরু করে। আট বছর আগে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে শহরটিতে মাত্র ৫০ হাজার মানুষ বসবাস করতেন। পরে সেই সংখ্যা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়।

তুরস্কের বাহিনী যখন আফরিন শহরটিতে চূড়ান্ত হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে, ওয়াইপিজি তখন বেসামরিক লোকজনকে মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে তাদের প্রতিরোধ করতে চাচ্ছে। আর এভাবেই তারা তুরস্কের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দিয়েছে। স্থানীয়রা আফরিন থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলে তাদের পথরোধ করা হচ্ছে। জাতিসংঘও এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছে, স্থানীয়দের শহর থেকে বেরিয়ে আসতে দেয়া হচ্ছে না।

তবে বাইরের তুরস্কের অভ্যন্তরে মানবাধিকার পরিস্থিতি ও বাকস্বাধীনতা হরণ নিয়ে বারবার সতর্ক করে দিচ্ছে। দেশটির ঐতিহ্যগত মিত্র যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্কেও ফাটল দেখা দিয়েছে। তাদের মধ্যে সক্রিয় বিরোধিতা বাড়ছে। পশ্চিমা দেশগুলো ও তাদের ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে কৌশলগত দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। এসব সামনে রেখে ২০১৯ সালের দিকে তুরস্কে প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাক তাদের শহরগুলো পুনর্নির্মাণে মনোযোগী হয়েছে। আইএসকে তাদের ঘাঁটি থেকে উচ্ছেদ করতে বছরব্যাপী অভিযান চালাতে হয়েছে। ক্ষতবিক্ষত একটি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার মতো ইতিহাসে স্মরণীয় কীর্তিতুল্য কাজ করতে হচ্ছে দেশটিকে। স্বাধীনতা লড়াইয়ে পরাজিত কুর্দিদেরও এর সঙ্গে যুক্ত করতে হচ্ছে। এ ছাড়া আইএস নিয়ান্ত্রিত এলাকায় বসবাস করা সুন্নিরা তাদের ধ্বংস হয়ে যাওয়া বসতবাড়ি নির্মাণে বেপরোয়া হয়ে উঠছে। যুদ্ধপরবর্তী ইরাকে তাদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। তবে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারকে ইরানসমর্থিত শিয়া যোদ্ধাদের লাগাম টেনে ধরে ভারসাম্য আনতে হবে। আইএস যোদ্ধারা পরাজিত হলেও আস্তে আস্তে গোপন আস্তানা থেকে বেরিয়ে এসে তাদের পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য জড়ো হতে পারে। সেই আশঙ্কা রয়ে গেছে।

চলতি মাসের শেষ দিকে মিসরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। মিসরের শহরজুড়ে ঝোলানো বিশাল বিশাল বিলবোর্ডে আরবিতে লেখা রয়েছে- ইয়াল্লা সিসি। অর্থাৎ সিসি তুমি এগিয়ে চলো। সেই তুলনায় তার প্রতিদ্বন্দ্বীর কোনো বিলবোর্ড কেন- ব্যানার ও পোস্টারও চোখে পড়ছে না। তিনি কোনো রাজনৈতিক ভাষণ দিচ্ছেন না। নির্বাচনী সমাবেশ, সে আরও দূরের কথা। তার মানে দাঁড়াচ্ছে- সিসি দ্বিতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী মুসা মোস্তফা মুসা তারই একজন গোঁড়া সমর্থক।

দেশটির ১৫০ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাতটি রাজনৈতিক দল প্রহসনের নির্বাচন আখ্যা দিয়ে সবাইকে তা বয়কটের আহ্বান জানিয়েছে। মুসা মোস্তফা ছাড়া আর কোনো প্রার্থীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেয়া হচ্ছে না। তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নির্বাচন থেকে দূরে রাখা হচ্ছে। সাবেক সামরিক কর্মকর্তা সামি আনান প্রার্থিতা ঘোষণার পর পরই গ্রেফতার হয়েছেন। অথচ সিসি, হোসনি মুবারক, আনওয়ার সাদাত, গামাল আব্দেল নাসের ও তিনি একই ধারা থেকে এসেছেনে।

যুগান্তর

সংশ্লিষ্ট খবর