শুক্রবার ২৩শে আগস্ট ২০১৯ |

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহার ভয়ঙ্কর মিথ্যাচার (ভিডিও)

 শুক্রবার ১৯শে জুলাই ২০১৯ দুপুর ০২:২২:৫৮
বাংলাদেশের

ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হওয়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২৭ জন নারী-পুরুষ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সংখ্যালঘুদের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর জন্য তারা ট্রাম্পের কাছে কৃতজ্ঞতা জানান। একইসঙ্গে পেশ করেন নিজেদের অভাব-অভিযোগ। এসময় নিজেকে বাংলাদেশি পরিচয় দিয়ে এক নারী ট্রাম্পকে জানিয়েছেন, তার ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। জমি ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবু তিনি আইনের সুরক্ষা পাননি।

ভিডও দেখতে এখানে ক্লিক করুন

হোয়াইট হাউজের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক প্রেস  বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার (১৭ জুলাই) একথা জানানো হয়। নিজেকে বাংলাদেশি পরিচয় দেওয়া ওই নারীর পরিচয় প্রকাশ করা হয়েছে ‘মিসেস সাহা’ নামে।

প্রিয়া সাহা নিজের বক্তব্যের শুরুতেই ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, স্যার, আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। সেখানে সংখ্যালঘু  হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানের বাস। দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন। আমি আমার দেশে থাকতে চাই।

ট্রাম্প বলেন, বাংলাদেশ?

সাহা তখন জবাব দেন,  হ্যাঁ। এখনো সেখানে ১ কোটি ৮০ লাখ সংখ্যালঘু মানুষ থাকে। আমার অনুরোধ, দয়া  করে আমাদের সাহায্য করুন। আমরা দেশ ছাড়তে চাই না। সাহায্য করুন  প্রেসিডেন্ট। আমি আমার বাড়ি হারিয়েছি। তারা পুড়িয়ে দিয়েছে। আমার জমি ছিনিয়ে  নিয়েছে। কিন্তু কোনো বিচার  হয়নি।

ট্রাম্প তখন সাহার কাছে জানতে  চান, কারা জমি নিয়ে গেছে? কারা বাড়ি ও জমি দখল করেছে? সাহা একটু ভেবে বলেন,  মুসলমান উগ্রপন্থীরা। এবং তারা সবসময় রাজনৈতিক আশ্রয় পাচ্ছে। সবসময়। 

ট্রাম্প  মনোযোগ দিয়ে সাহার কথা শুনলেও আর কোনো জবাব দেননি। পাশে থাকা অন্য একজনের  কাছে জানতে চান সেখানে (বাংলাদেশে) এখনো আমাদের হেলিকপ্টার পৌছায়নি?  উত্তরে সে বলে না। 

তখন পাশে থাকা অপর এক নারীর অভিযোগ শুনতে শুরু করেন। 

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে তুলে ধরা প্রিয়া সাহার বক্তব্য ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

প্রিয়া সাহার পরিচয়।

প্রিয়া সাহা মহিলা ঐক্য পরিষদ’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন,  উনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ইউনিয়ন করতেন, রোকেয়া হলে থাকতেন। এখন একটি এনজিও আছে ওনার। বিভ্রান্তিমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য গতবছর তাকে মহিলা ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়, বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার নাম করে প্রচুর বিদেশি ফান্ড কালেক্ট করেন তিনি। তার গ্রামের বাড়ি চরবানিরী, মাটিভাঙ্গা, নাজিরপুর, পিরোজপুর। প্রিয়ার স্বামী মলয় সাহা সহকারী পরিচালক দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), তাদের দুই মেয়ে কয়েক বছর ধরে মলয় সাহার দুর্নীতির টাকায় আমেরিকায় বসবাস করছেন,  কিছুদিন পূর্বে প্রিয়া সাহাকে দুদকের অফিসিয়াল গাড়ি ব্যবহার করে এয়ারপোর্টে  পৌছে দেন তার স্বামী, দুদকের সহকারী পরিচালক মলয় সাহা।


ঢাকা ডেস্ক

সংশ্লিষ্ট খবর