শনিবার ১৬ই নভেম্বর ২০১৯ |

মুরগি উৎপাদনে কাতার এখন স্বনির্ভর

 শুক্রবার ২৫শে অক্টোবর ২০১৯ দুপুর ০১:৫৫:৩৯
মুরগি

মুরগি উৎপাদনে কাতার এখন শতভাগ স্বনির্ভর। কাতারের বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপের পর দু বছরে এই সাফল্য অর্জন করছে কাতারের খাদ্যখাত। খুব শিগগিরই কাতার থেকে মুরগি রপ্তানি করাও সম্ভব হবে। এই দাবি করেছেন কাতারের পরিবেশ ও পৌরসভা মন্ত্রণালয় কৃষি ও মৎস সম্পদ বিষয়ক সহকারী সচিব ড. ফালেহ বিন নাছের আলথানি।

ড. ফালেহ আরও বলেছেন, খাদ্যে স্বনির্ভর হতে কাতার নিজস্ব কর্মকৌশল বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। কাতারে যে ধরণের পরিবেশ ও আবহাওয়া থাকে, এর মধ্যেই উপযোগী খাদ্য উৎপাদনে কাতার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করছে। এর মধ্যে মুরগি অন্যতম একটি খাত হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে। ড. ফালেহ এবং তার সঙ্গে একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি একটি মুরগির খামার পরিদর্শন করেন এবং এসব কথা বলেন।

ড. ফালেহ যোগ করেন, বর্তমানে দুধ উৎপাদনে কাতার স্বনির্ভর হয়ে বিদেশে রপ্তানি করার পরিকল্পনা করছে। কাতারে দুধ উৎপাদনের বর্তমান হার শতকরা ১০৯ ভাগ। পাশাপাশি বাড়ছে ডিমের উৎপাদনও। বর্তমানে স্থানীয় চাহিদার শতকরা ৪০ ভাগ কাতারে উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে।

কাতারে এখন অনেক মৎস্য ও মুরগি খামার গড়ে উঠছে। বিনিয়োগকারীরা সরকারি সমর্থন ও সহযোগিতায় এই খাতে বিনিয়োগে উৎসাহী হয়ে উঠছেন। খুব শিগগির কাতারের মৎস্য খাতও স্বনির্ভর হয়ে বাইরে রপ্তানির জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।

কাতারে বর্তমানে কৃষি খামারের সংখ্যা এক হাজার ৩০০টি। আরও অনেক নতুন কৃষি খামার এই তালিকায় যোগ হবে। এসব কৃষিখামারে প্রযুক্তি ও পরিবেশ বিজ্ঞানের সহযোগিতায় বছরজুড়ে চাষাবাদ ও উৎপাদন সম্ভব হবে।

কৃষিখাতে কাতার সরকারের সমর্থন ও সহযোগিতাও আগের চেয়ে বেশি বেড়েছে। এখন বিভিন্ন উন্মুক্ত বাজারে সরাসরি ক্রেতাদের কাছে নিজেদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রির সুযোগ পাচ্ছে খামার সংশ্লিষ্টরা। ফলে কোনো মাধ্যম ছাড়া এই ব্যবসায় জড়িত হতে পারছেন খামারীরা।




সংশ্লিষ্ট খবর