সৌদিতে প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর: স্পন্সরের অনুমতি ছাড়াই চাকরি পরিবর্তন ও ভ্রমণের স্বাধীনতা
Loading...

সৌদি আরবে কর্মরত প্রবাসীদের জন্য এসেছে যুগান্তকারী পরিবর্তন। এখন থেকে তারা স্পন্সর বা নিয়োগকর্তার অনুমতি ছাড়াই চাকরি পরিবর্তন, দেশ ত্যাগ কিংবা পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন।
গালফ নিউজ জানিয়েছে, দীর্ঘদিনের বিতর্কিত ‘কাফালা’ বা স্পন্সরশিপ ব্যবস্থার এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারগুলো গত রবিবার (১৯ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হয়েছে। মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রবাসী শ্রমবাজারে এক নতুন অধ্যায় সূচনা করেছে।
কাতারের সব আপডেট হোয়াটসঅ্যাপে পেতে এখানে ক্লিক করুন
Loading...
পুরোনো নিয়ম
১৯৫০-এর দশকে প্রবর্তিত ‘কাফালা’ ব্যবস্থায় প্রবাসী কর্মীরা কার্যত তাদের নিয়োগকর্তার অধীনে সম্পূর্ণভাবে আবদ্ধ থাকতেন। নিয়োগকর্তার লিখিত অনুমতি ছাড়া চাকরি পরিবর্তন, দেশত্যাগ কিংবা পুনরায় সৌদিতে প্রবেশ করা সম্ভব ছিল না। এর ফলে বহু শ্রমিক বছরের পর বছর একই প্রতিষ্ঠানে বাধ্য হয়ে কাজ করতেন।
নতুন নিয়ম
নতুন সংস্কারে প্রবাসীরা চাকরির চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নিয়োগকর্তার অনুমতি ছাড়াই অন্য প্রতিষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন।
এছাড়া, অনলাইনে শুধু নোটিফিকেশন দিয়েই তারা সৌদি আরবের বাইরে ভ্রমণ করতে পারবেন। চুক্তি শেষ হলে নিয়োগকর্তার সম্মতি ছাড়াই ‘ফাইনাল এক্সিট’ বা চূড়ান্ত প্রস্থানও করা যাবে।
কাতারে বিভিন্ন কোম্পানিতে নতুন চাকরির খবর
Loading...
সংস্কারের লক্ষ্য
সৌদি আরবের মানবসম্পদ বিষয়ক উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ বিন নাসের আবুথুনাইন জানিয়েছেন, এই সংস্কারের মূল লক্ষ্য হলো দেশটির শ্রমবাজারকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও আকর্ষণীয় করে তোলা।
তিনি বলেন, “এই পরিবর্তনের মাধ্যমে আমরা প্রবাসী কর্মীদের জন্য আরও ন্যায়সঙ্গত, স্বচ্ছ এবং মানবিক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই।”
ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন এখানে
Loading...
বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ সৌদি আরবের শ্রমনীতি সংস্কারে এক ঐতিহাসিক মোড় এনে দেবে, যা প্রবাসী কর্মীদের অধিকার সুরক্ষা ও স্বাধীনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আরো পড়ুন
- ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ধসে পড়েছে ইসরায়েলের ভবন, আহত শতাধিক
- কাতারের জলসীমায় সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, উদ্ধার অভিযান চলছে
- কাতারের পর এবার ইরানি দূতাবাস কর্মীদের বহিষ্কার করল সৌদি আরব
- ১৯৮৩ সালের পর স্বর্ণের দামে সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক পতন
- মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে ঝুঁকিতে দক্ষিণ এশিয়ার ১০৭ বিলিয়ন ডলারের এলএনজি প্রকল্প
Loading...






