কাতারে অনলাইনে ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকার আহবান

কাতার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কাতারের জনসাধারণকে অনলাইনের ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে।

এক বার্তায় বলা হয়, অনলাইনে আসা অপরিচিত ও অজানা কোন ফাইলে ক্লিক বা ডাউনলোড করা উচিত নয়। কারণ এগুলোর মধ্যে ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যার থাকতে পারে যা অনলাইন নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকি।

বিশ্ব যতটা আধুনিক হচ্ছে দিন দিন ততটা বাড়ছে হ্যাকিং, ব্লাকমেইল ও অনলাইন প্রতারণা।

কিছুদিন আগে আমেরিকাসহ পুরো বিশ্ব শিকার হয়েছিলো সময়ের সবচেয়ে বড় হ্যাকিংয়ের।  এ থেকে বাদ পড়েনি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকও।  এই সাইবার হামলার পর থেকে এ ব্যাপারে আরেকটু নড়েচড়ে বসেছে বিশ্ব।

হ্যাকিং, জালিয়াতি, প্রতারণা, হুমকি এবং ব্ল্যাকমেইলের মতো বিভিন্ন ধরণের অনলাইন অপরাধের ক্রমবর্ধমান ঘটনা ঘটে যাচ্ছে চারিদিকে।

এজন্য কাতারের জনসাধারণকে যে কোন অনলাইন লেনদেনের সময় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। অনলাইন পেমেন্টসহ এই জাতীয় সবরকম কার্যক্রমের সময় সবাই যেন প্রয়োজনীয় সতর্কতা গ্রহণ করে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাবলিক রিলেশন বিভাগ কর্তৃক ফিনান্সিয়াল অ্যান্ড সাইবার ক্রাইমস অ্যান্ড প্রিভেনশন ম্যথড সম্পর্কিত ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়।

এতে লেফটেন্যান্ট আহমেদ হামাদ হাসান আল-থানি বলেন, সাইবার ক্রাইমস এবং সাইবার সিকিউরিটি চ্যালেঞ্জগুলোর ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবেলায় ২০১৮ সালের শেষের দিকে এই বিভাগটি তৈরি করা হয়।

সাইবার আক্রমণ বর্তমানে আরও বেশি সাধারণ হয়ে উঠায় বিভাগটি এর প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

কাতারে ২০১৪ সালের সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধ আইন প্রবর্তন করা হয়।

তখন ১৪ নং আইনের আওতায় ইন্টারনেট এবং তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের সাথে জড়িত সব ধরণের অপরাধকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে লেফটেন্যান্ট আহমেদ হামাদ হাসান আল-থানি ১৪ নং আইনের বিধানগুলো ব্যাখ্যা করেন।

লেফটেন্যান্ট আহমেদ জালিয়াতি বা সন্দেহজনক কার্যকলাপে স্ক্যামার বা দোষীদের সাড়া না দেওয়ার জন্য সবাইকে কঠোরভাবে পরামর্শ দিয়েছেন।

মানুষ তাত্ক্ষণিকভাবে এই ধরনের কার্যকলাপকে ব্লক করা উচিত। সম্ভাব্য ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে সব ধরণের অনলাইন যোগাযোগ মাধ্যম থেকে এদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে।

Loading...
,