প্রবাসী বন্ধুর বউ নিয়ে পালিয়ে গেলেন তিনি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ইরাক প্রবাসী শফিউল ইসলামের স্ত্রী তাহমিনা আক্তারকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে তারই বন্ধু আঙ্গুর মিয়ার বিরুদ্ধে।

ঘটনার ৭ দিন পার হলেও এখনো তাদের কোনো খোঁজ না পাওয়ায় ভুক্তভোগী শফিউলের বড় ভাই হাবিবুর রহমান বাদি হয়ে ২ মে সুন্দরগঞ্জ থানায় তাহমিনা ও আঙ্গুরের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

কাতারের সব খবর সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে এখানে ক্লিক করুন

শফিউল ইসলাম ছাপরহাটি ইউনিয়নের মরুয়াদহ গ্রামের আব্দুল হামিদ আলীর ছেলে। আর প্রেমিক আঙ্গুর মিয়া একই গ্রামের মৃত ফরলার রহমানের ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আজ থেকে ১১ বছর আগে শফিউল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী বেলকা ইউনিয়নের জহরুলের মোড় গ্রামের ফরিজল মিয়ার মেয়ে তাহমিনা আক্তারের।

তাদের সংসার জীবনে ৬ বছরের একটি মেয়ে আছে। বিয়ের ৭ বছর পর স্ত্রীকে বাড়িতে রেখে শফিউল ইসলাম ইরাক চলে যান।

এই সুযোগে তাহমিনা তার স্বামীর বন্ধু আঙ্গুর মিয়ার সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এ নিয়ে স্বজনরা অনেকবার বুঝানোর পরেও আঙ্গুরের সঙ্গ ত্যাগ করেননি তাহমিনা। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি প্রেমিক আঙ্গুর মিয়ার সঙ্গে পালিয়ে যান।

এ ব্যাপারে তাহমিনার বাবা ফরিজল হক বলেন, এক বছর আগে এই ঘটনা জানতে পেরে আমার মেয়েকে আমি অনেক বুঝিয়েছি। কিন্তু কোনো বুঝেই কাজে আসেনি। শেষমেশ আঙ্গুরের হাত ধরেই হয়তো সে পালিয়ে গেছে।

এ ঘটনা জানতে অভিযুক্ত আঙ্গুর মিয়ার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু এ ঘটনায় তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

প্রবাসী শফিউল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, সংসার জীবনের এই ১১ বছরে কখনও ভাবিনি আমার স্ত্রী এমন জঘন্য কাজ করবে। আঙ্গুর আমার ছোট বেলার বন্ধু।

এতো কাছের বন্ধু হয়ে এতো বড় সর্বনাশ করবে, কল্পনাও করিনি। দু’বছর আগে জমি কেনার কথা বলে সে ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছে। সেই টাকা দিয়ে সে জমিও কেনেনি।

শফিউলের বড়ভাই হাবিবুর রহমান বলেন, এই মেয়ে একমাসের মধ্যে তিনবার ওই ছেলের সাথে পালিয়েছে। এবার একেবারে এলাকার বাইরে গেছে। শফিউলের স্ত্রী এবং তার বাবার সাথে টাকা পয়সার হিসাব আছে।

তাই তাহমিনাকে খুঁজে পেতেই থানায় অভিযোগ করেছি। আমার ভাই স্ত্রীকে খুব ভালোবাসতো। সব লেনদেন বউয়ের মোবাইলে করতো। সাত বছরের একটা মেয়ে আছে তার। ওই মেয়ে একটা বিশ্বাসঘাতক।

অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম আজমিরুজ্জামান বলেন, আমরা এ ব্যাপারে অভিযোগ পেয়েছি।

অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:

গালফ বাংলা

Loading...
,