যে কারণে ইরানকে হাজার কোটি ডলার ফেরত দিল যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বৈরী সম্পর্ক বহুদিনের। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় থাকার সময় ইরানের ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিয়েই গেছেন।

এমনকি বিভিন্ন দেশে থাকা ইরানের হাজার হাজার কোটি ডলার অর্থ জব্দ করা হয়েছে। এবার ইরানের ক্ষেত্রে সুর একটু নরম করল যুক্তরাষ্ট্র। জব্দ করা ১ হাজার কোটি ডলার ফেরত দিয়েছে দেশটি।

কাতারের সব খবর হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন

সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলছে, গত সপ্তাহেই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে। এর আওতায় ইরানে আটক ৫ মার্কিন ও যুক্তরাষ্ট্রে আটক বেশ কয়েকজন ইরানি মুক্তি পাবেন।

তবে এর আগে দক্ষিণ কোরিয়া ও ইরাকের ব্যাংকে জব্দ হওয়া ইরানের এক হাজার কোটি ডলার কাতারে পাঠাতে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে। কাতার থেকে সেসব অর্থ যাবে ইরানে।

দীর্ঘ কয়েক মাসের আলোচনার পর এ সিদ্ধান্ত আসে। গত বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) দেশ দুটি এ ব্যাপারে একমত হয়।

এরই মধ্যে রোববার (১৩ আগস্ট) দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছে, সেখানে থাকা ৭০০ কোটি ডলার এরই মধ্যে কাতারে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এসব ডলার ইউরোতে রুপান্তরিত করা হয়।

কাতারে চাকরি খুঁজছেন? এখানে ক্লিক করুন

২০১৯ সালের আগে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনেছিল দক্ষিণ কোরিয়া। তবে তার দাম পরিশোধ করা হয়নি।

পরে ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ সংক্রান্ত লেনদেনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে ওই অর্থ আটকে যায়।

সেই অর্থই বর্তমানে চুক্তির আওতায় ইরানে ফিরিয়ে দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে ওয়াশিংটন।

কাতারের সব খবর হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন

তবে চুক্তির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু শর্ত রয়েছে বলে জানায় এপি। ওই অর্থ শুধু ওষুধ ও খাবারের মতো মানবিক পণ্য কেনাবেচায় ব্যবহার করা যাবে।

ওই অর্থের ওপর তেহরানের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। তবে এসব কার্যক্রম কীভাবে নজরদারি করা হবে, সে বিষয়ে কোনো ধারণা দেওয়া হয়নি।

চুক্তির আওতায় বৃহস্পতিবারই ইরানে চার মার্কিন বন্দীকে কারাগার থেকে সরিয়ে গৃহবন্দী অবস্থায় রাখা হয়েছে।

আরেক মার্কিনকে আগে থেকেই গৃহবন্দী করে রেখেছিল তেহরান। যুক্তরাষ্ট্রে বন্দী অনেক ইরানীকেও মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। তবে তাঁদের সংখ্যা কত, জানা যায়নি।

আরও পড়ুন

গালফ বাংলা

Loading...
,