সৌদি আরবে নিজ কর্মচারীর প্রতারণায় পথে বসেছেন মালিক

সৌদি আরবে নিজ কর্মচারীর প্রতারণায় পথে বসেছেন প্রবাসী ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ। মহিউদ্দিন হায়দার নামের ওই কর্মচারী অন্তত ৫৬ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করা হয়। সৌদি কফিলের সঙ্গে সোনাগাজী প্রবাসী আব্দুল আজিজের পঞ্চাশটিরও বেশি পেট্রোল পাম্প রয়েছে। এসব পাম্পে শতাধিক বাংলাদেশির কর্মসংস্থান রয়েছে।

কাতারের সব খবর হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন

এসব পেট্রোল পাম্পের মালিক সোনাগাজী প্রবাসী আব্দুল আজিজ। আরবী কফিলের সাথে যৌথভাবে এরকম পঞ্চাশেরও বেশি পেট্রোল পাম্প গড়ে তুলেছেন তিনি।

সৌদি আরবে বসবাসরত হাজারো প্রবাসীর নির্মম কষ্টের মধ্যে দিন যাপন করা প্রবাসীদের ব্যতিক্রম তিনি। নিজের ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি অন্তত শতাধিক প্রবাসীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন আব্দুল আজিজ।

কর্মচারীদের মধ্য থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মহিউদ্দিনকে নিজ প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারের দায়িত্ব দেয়া হয়। গেল কয়েক দিন আগে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৬ লাখ টাকা নিয়ে রাতের আধারে পালিয়ে যান তিনি।

এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন আব্দুল আজিজ।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমি এখানে আমার কপিলের সঙ্গে পার্টনারে পাম্পের ব্যবসা করি। মহিউদ্দিনের কোনো কাজ না থাকায় আমি আমার কফিলের এখানে তাকে কাজ দেই।

৬ মাস কাজ করার পর সে আমার অনেকগুলা টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়, বাংলা প্রায় ৫৬ লাখ টাকার মতো।

এদিকে, টাকার জন্য আব্দুল আজিজের ওপর চাপ প্রয়োগ করছেন আরবী কফিল। এমন পরিস্থিতিতে পথে বসার অবস্থায় পড়েছেন তিনি।

প্রতারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের সহযোগিতা চেয়েছেন আব্দুল আজিজ। এর আগে দূতাবাসেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

পলাতক মহিউদ্দিনকে বারবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি। মহিউদ্দিন হায়দার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার চোবেপুর গ্রামের আব্দুর রহিম মুন্সির সন্তান।

আরো পড়ুন

RTV

Loading...
,