বৃহঃস্পতিবার ১লা অক্টোবর ২০২০ |

পরকীয়ায় ফেলে ২৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিলেন যুবতী

 সোমবার ১৪ই সেপ্টেম্বর ২০২০ সকাল ১০:২৭:০২
পরকীয়ায়

এক সন্তানের পিতাকে পরকীয়ার ফাঁদে ফেলে ২৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ অভিযোগ উঠেছে এক যুবতীর বিরুদ্ধে। আরও ১০ লক্ষ টাকা ও ৮০ শতাংশ জমি ওই যুবতীর নামে লিখে না দিলে এক সন্তানের জনককে তার স্ত্রীর কাছ থেকে বাগিয়ে নেয়ার হুমকি দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত।

স্থানীয় সহযোগীদের সহায়তায় ও মোবাইল ফোনে ওই যুবতী প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে আসছেন যুবকের স্ত্রী ও পরিবারকে। পরকীয়ায় আসক্ত যুবতীর হুমকি-ধামকিতে চরম কলহ বিবাদ ও অশান্তিতে রয়েছে যুবকের পরিবার। তাই অতিষ্ট হয়ে যুবকের বাবা বাদী হয়ে ওই যুবতীর বিরুদ্ধে মনপুরা থানায় অভিযোগ ও সাধারণ ডায়েরি করেন।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মনপুরা থানায় এই সাধারণ ডায়েরিটি দায়ের করেন উপজেলার রামনেওয়াজ ইউনিয়নের কাউয়ারটেক গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এক সন্তানের জনক মো. আরিফের (৩৪) বাবা মো. আমজাদ হোসেন (৬০)। মনপুরা থানায় সাধারন ডায়েরি নং-৩৬২।

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা জেলার বরুরা উপজেলার ধনেশ^রী ইউনিয়নের জীবনপুর গ্রামের বাসিন্দা আবিদ হোসেনের মেয়ে মাইমুনা আক্তার মনিকার (২৪) সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয় হয় ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলা রামনেওয়াজ ইউনিয়নের কাউয়ারটেক গ্রামের ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ আমজাদ হোসেনের ছেলে মো. আরিফ (৩৪) এর সাথে।

মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে একসময় তারা পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। বিবাহিত জীবনে আরিফের স্ত্রী ও একটি ছেলে সন্তান রয়েছে জেনেও বিভিন্নভাবে আরিফকে ফাঁদে ফেলে বিয়ে করতে চায় যুবতী মনিকা। এ নিয়ে আরিফের সংসারে কলহ বিবাদ ও অশান্তি লেগেই রয়েছে।

এছাড়াও বিভিন্ন সময় পরকিয়ার ফাঁদে ফেলে যুবতী মনিকা-আরিফের কাছ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। অনুসন্ধানে জানা যায়, দুই বছর পূর্বে কুমিল্লা জেলার বরুরা উপজেলার মাইমুন আক্তার মনিকার সাথে ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলার আরিফের পরিচয় হয় তার বন্ধু মনিরের মাধ্যমে। অরিফ মালয়শিয়ায় প্রবাসী হিসেবে কর্মরত ছিলো।

তারা নিয়মিত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে আসছিলো। একপর্যায়ে তারা পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে আরিফ দেশে এসে তার বন্ধু মিনহাদ ও কাদেরের সাথে ৩/৪ বার মনিকাদের বাড়িতে বেড়াতে যায়। আরিফের স্ত্রী ও ছেলে সন্তান আছে জেনেও মনিকা বিয়ের জন্য প্রস্তাব দেয়। কিন্তু আরিফ তাতে অসম্মতি জানায়। এতেই বেঁধে যায় দ্বন্দ।

আরিফ মনিকার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিলেও আরিফের বন্ধু মিনহাদও কাদের অর্থের বিনিময়ে মনিকাকে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করে আসছে। আরিফ-মনিকাকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় বিভিন্ন সময়ে ফাঁদে ফেলে আরিফের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করে মনিকা।

আরিফের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে গত সপ্তাহে মনপুরা থানা পুলিশ আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মনপুরা থানায় নিয়ে আসে। এব্যাপারে মনপুরা থানা থেকে মনিকার সাথে যোগাযোগ করা হলে সে ১০ লক্ষ টাকা ও ৮০ শতাংশ জমির বিনিময়ে বিষয়টি সুরাহা করার প্রস্তাব দেন। এবং অন্যত্র বিয়ে করার কথা জানান পুলিশকে।’


কাতারের আরও খবর

গালফবাংলায় প্রকাশিত যে কোনো খবর কপি করা অনৈতিক কাজ। এটি করা থেকে বিরত থাকুন। গালফবাংলার ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।
খবর বা বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন: editorgulfbangla@gmail.com

পরকীয়া,যুবতী,প্রবাসী

বরিশাল টাইমস

সংশ্লিষ্ট খবর