শনিবার ১৬ই জানুয়ারী ২০২১ |

এক মাসে এক টন সোনা এনেছেন প্রবাসীরা

 শনিবার ৫ই ডিসেম্বর ২০২০ সকাল ০৮:২২:৪১
এক

করোনার মধ্যে বিদেশ থেকে দেশে ফেরার সময় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সোনার বার আনার ক্ষেত্রে একের পর এক রেকর্ড হচ্ছে। বৈধ পথে ব্যাগেজ রুলের আওতায় সরকারকে নির্ধারিত হারে কর দিয়ে বিপুল পরিমাণ সোনার বার আনছেন প্রবাসীরা। 

গত নভেম্বর মাসে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে প্রায় এক টনের সমপরিমাণ সোনার বার এসেছে। পাঁচ হাজার যাত্রী এসব সোনার বার এনেছেন। বাজারমূল্যে এসব সোনার বারের দাম প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা। এক মাসে এত বিপুল পরিমাণ সোনার বার আসার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন খোদ সোনা ব্যবসায়ীরা।

একজন যাত্রী বৈধভাবে শুল্ক-কর দিয়ে সর্বোচ্চ ২০ ভরি বা দুটি সোনার বার আনতে পারেন। এ জন্য প্রতি ভরিতে (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) শুল্ক-কর দিতে হয় ২ হাজার টাকা। সোনার বারের বাইরে ১০০ গ্রাম ওজনের (প্রায় সাড়ে আট ভরি) স্বর্ণালংকার আনতে পারবেন বিনা শুল্কে।

গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে পুরোটা সময়ে এ বিমানবন্দর দিয়ে সব মিলিয়ে ১০৪ কেজির বেশি সোনার বার এনেছিলেন যাত্রীরা। করোনার কারণে আকাশপথে যোগাযোগ বন্ধ থাকায় এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত আকাশপথে কোনো সোনার বার আনার সুযোগ ছিল না। 

যেসব প্রবাসী দেশে আসছেন, তাঁদের কেউই যেন সোনার বার ছাড়া ফিরছেন না। গত সেপ্টেম্বরে প্রায় পৌনে চার কেজি ওজনের সমপরিমাণ সোনার বার এনেছেন যাত্রীরা। অক্টোবর মাসে আনা হয়েছে ২ হাজার ২২৪টি সোনার বার, যা ২২ হাজার ২৪০ ভরি বা ২৫৯ কেজির সমান। এটিই ছিল রেকর্ড। গত মাসে সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড হয়েছে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম  বলেন, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার এই সময়ে যাত্রীদের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য বিপুল পরিমাণ সোনা আনার ঘটনা অস্বাভাবিক। সোনা অবৈধ লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকতে পারে, তাই বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার। 

কাতারের আরও কিছু খবর পড়ুন এখান থেকে 

গালফবাংলায় প্রকাশিত যে কোনো খবর কপি করা অনৈতিক কাজ। এটি করা থেকে বিরত থাকুন। গালফবাংলার ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।
খবর বা বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন: editorgulfbangla@gmail.com

প্রথম আলো

সংশ্লিষ্ট খবর