১৮ মাস পর ঢাকা হয়ে কলকাতা-আগরতলা বাস আবার চালু
Loading...

১৮ মাস পর ঢাকা হয়ে কলকাতা-আগরতলা বাস আবার চালু
প্রায় ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর ঢাকা হয়ে কলকাতা–আগরতলা আন্তর্জাতিক বাস সার্ভিস আবারও চালু হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, দীর্ঘ বিরতির পর মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রথম বাসটি প্রায় ২০ জন যাত্রী নিয়ে ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলায় পৌঁছায়। একই দিনে আরও একটি বাস আগরতলা থেকে পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেয়।
বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে গত দেড় বছর ধরে এই আন্তর্জাতিক বাস পরিষেবা স্থগিত ছিল। এর ফলে ভিসা প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হয় এবং যাত্রীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সংশ্লিষ্ট অপারেটররা পুনরায় বাস সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নেয় বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
কাতারের সব আপডেট হোয়াটসঅ্যাপে পেতে এখানে ক্লিক করুন
Loading...
জানা গেছে, প্রথম বাসটি আগরতলার আখাউড়া ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্টে পৌঁছালে যাত্রীদের স্বাগত জানান ত্রিপুরা রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, উন্নয়ন কখনোই বন্ধুত্ব ছাড়া সম্ভব নয়। পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যের মাধ্যমেই দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়।
তিনি আরও বলেন—বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতেই দুই দেশের সম্পর্ক গভীরতর হয়, এটি এক অস্বীকার্য বাস্তবতা। আগরতলা–ঢাকা–কলকাতা এবং কলকাতা–ঢাকা–আগরতলা বাস সার্ভিস দুই দেশের বন্ধুত্বের একটি বড় উদাহরণ। শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের গুরুত্ব বিবেচনায় রেখে এই পরিষেবা আবারও চালু করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ত্রিপুরা রোড ট্রান্সপোর্ট করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সমর রয় বলেন—বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে আন্তর্জাতিক এই বাস পরিষেবা ১৮ মাস বন্ধ ছিল। মঙ্গলবার কলকাতা থেকে ঢাকা হয়ে আগরতলায় প্রায় ২০ জন যাত্রী নিয়ে একটি বাস পৌঁছেছে। একই দিনে তুলনামূলক কম যাত্রী নিয়ে আরেকটি বাস ঢাকা হয়ে কলকাতার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে।
কাতারে বিভিন্ন কোম্পানিতে নতুন চাকরির খবর
Loading...
সমর রয় আশা প্রকাশ করেন, ভিসা প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হলে ধীরে ধীরে যাত্রীর সংখ্যা বাড়বে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই পরিষেবা চালুর মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।
কলকাতা–আগরতলা রুটটি বাংলাদেশের ওপর দিয়ে গেলে ভৌগোলিক দূরত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে এবং যাত্রীরা কম সময় ও খরচে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন। ফলে সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোর মানুষের জন্য আন্তর্জাতিক এই বাস সার্ভিস বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন এখানে
Loading...
আরো পড়ুন
Loading...






